ধাতব পদার্থ ও তাদের যৌগসমূহ

- সাধারণ বিজ্ঞান - ভৌতবিজ্ঞান | NCTB BOOK
2.9k

প্রস্তর যুগের পর আসে ধাতুর ব্যবহারের যুগ। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের পর পাথরের পর তামার ব্যবহার শুরু হয়। লোহার আবিষ্কার হয় খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ধাতু

1.6k

ধাতু (Metal)

যে সকল পদার্থ দেখতে চকচকে, তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী, আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়, ঘাতসহ প্রসারণশীল ও নমনীয় তাদেরকে ধাতু বলে। এদের পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে ক্যাটায়ন উৎপন্ন করে। উদাহরণ: লিথিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা (Zinc), সোনা, রূপা, তামা (Cupper), প্লাটিনাম, পারদ (Mercury), টাংস্টেন প্রভৃতি।

বৈশিষ্ট্য

ধাতু

বৈশিষ্ট্য

ধাতু

সবচেয়ে হালকা ধাতুলিথিয়াম (Li)সবচেয়ে সক্রিয় ধাতুপটাসিয়াম (K)
সবচেয়ে ভারী ধাতুপ্লাটিনাম (Pt)সবচেয়ে তাড়াতাড়ি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়দস্তা (Zn)
সবচেয়ে মূল্যবান ধাতুতার বানানো সহজতরতামা (Cu)
সর্বোচ্চ গলনাঙ্কের ধাতুটাংস্টেনসর্বনিম্ন গলনাঙ্কের ধাতুপারদ (Hg)
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সোডিয়াম (Na)

1.3k

সোডিয়াম (আধুনিক ল্যাটিন ভাষায় ন্যাট্রিয়াম) একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক Na এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১১। এটি পর্যায় সারণীর তৃতীয় পর্যায়ে, প্রথম শ্রেণীতে অবস্থিত, যার কারণে এটি ক্ষার ধাতু হিসাবে পরিগণিত। তীব্র সক্রিয়তার কারণে একে প্রকৃতিতে আলাদাভাবে পাওয়া যায় না, সোডালাইট, ফেল্ডস্পার, রকসল্ট ইত্যাদি খনিজ রূপে পাওয়া যায়। মহাবিশ্বে এর উৎপত্তি হয় নক্ষত্রে, ৬০০ মেগাকেলভিন তাপমাত্রায় কার্বন দহন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যখন দুটি কার্বন পরমাণুর মধ্যে ফিউশান ঘটে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

০.৫% জলীয় দ্রবণ
০.৯% জলীয় দ্রবণ
১% জলীয় দ্রবণ
২% জলীয় দ্রবণ

পটাসিয়াম (K)

1.2k

পটাশিয়াম হলো একটি রাসায়নিক উপাদান যা K প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয় ( নিও-ল্যাটিন ক্যালিয়াম থেকে ) এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা ১৯ ৷ পটাশিয়াম হলো একটি রুপালি-সাদা ধাতু যা একটি ছুরির মাধ্যমে সামান্য শক্তি দিয়ে কাটার জন্য যথেষ্ট নরম।

Content added By

অ্যালুমিনিয়াম (AI)

1.3k

অ্যালুমিনিয়াম একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক Al এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১৩। এটি বোরন গ্রুপের সদস্য যার রং ধূসর সাদা; গঠনে কোমল, অচৌম্বকীয় এবং যথেষ্ট সংকোচন-প্রসারণক্ষম। ভর অনুপাতে ভূ-পৃষ্ঠের ৮ শতাংশ অ্যালুমিনিয়াম। অক্সিজেন ও সিলিকনের পর ভূ-পৃষ্ঠের মৌল হিসেবে এর অবস্থান ৩য়, যদিও ভূপৃষ্ঠের গভীরে নগন্য মাত্রায় বিদ্যমান। এর প্রধান আকরিক হল বক্সাইট। রাসায়নিকভাবে অ্যালুমিনিয়াম খুবই সক্রিয় বলে তীব্র বিজারনীয় পরিবেশ ছাড়া একে বিশুদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় না। একারণে ২৭০ ধরনের ভিন্ন পদার্থে এর উপস্থিতি রয়েছে।

এটি বেশ হালকা ও দীর্ঘদিন ব্যবহারে অক্ষয়িষ্ণু। একারণে এর বহুবিধ ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। মহাকাশীয় যন্ত্রপাতি, যানবাহন ও নির্মানকাজে (জানালার কাঠামো, আংটা ইত্যাদি) অ্যালুমিনিয়াম ও এর সংকর ধাতুসমূহের বহুল ব্যবহার লক্ষনীয়। এর অক্সাইড ও সালফেটসমূহ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যৌগ। কোন জীবন্ত প্রাণী তাদের জৈবিক কার্যাবলিতে অ্যালুমিনিয়ামের লবণ ব্যবহার না করলেও মাটিতে প্রচুর পরিমাণে থাকায় উদ্ভিদসমূহে তাদের ভূমিকা রয়েছে।উদ্ভিদে এর ক্রিয়াবলি নিয়ে উপর্যুপরি গবেষণা চলছে।

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

তাপের পরিবহনের জন্য
তাপের পরিচালনের জন্য
তাপের বিকিরণের জন্য
ব্যাপন প্রক্রিয়ার জন্য

ক্যালসিয়াম (Ca)

1.4k

ক্যালশিয়াম হচ্ছে Ca প্রতীকযুক্ত একটি মৌলিক পদার্থ, যার পারমাণবিক সংখ্যা ২০। ক্যালসিয়াম একটি ক্ষারীয় ধাতব পদার্থ। এজন্য ক্যালসিয়াম বেশ সক্রিয় ধাতু, যা বায়ুর সংস্পর্শে আসার পরে গাঢ় অক্সাইড-নাইট্রাইড স্তর গঠন করে। এর গাঠনিক ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলির অধিকাংশই মিলে যায় এর চেয়ে কিছু ভারি ও সদৃশ মৌল স্ট্রনশিয়াম এবং বেরিয়ামের সাথে। পরিমাণের দিক থেকে এটি পৃথিবীর ভূত্বকের উপাদানগুলোর ভেতরে পঞ্চম অবস্থানে আছে। একইসাথে প্রাচুর্যের দিক থেকে পৃথিবীতে প্রাপ্ত ধাতুসমূহের ভেতরে এটি তৃতীয় অবস্থানে আছে, অর্থাৎ লোহা এবং অ্যালুমিনিয়ামের পরই এর অবস্থান। পৃথিবীতে সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া যায় এমন ক্যালসিয়াম যৌগটি হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, যা চুনাপাথর নামে পরিচিত। এটি সমুদ্রে প্রাপ্ত জীবাশ্মের অবশিষ্টাংশে পাওয়া যায়, যে জীবাশ্মগুলো সৃষ্ট হয়েছিলো সমুদ্র সৃষ্টির প্রারম্ভিক সময়ে। এর পাশাপাশি জিপসাম, অ্যানহাইড্রাইট, ফ্লোরাইট এবং অ্যাপাটাইট ক্যালসিয়ামের উৎস। ক্যালসিয়াম নামটি লাতিন শব্দ Calx Lime থেকে এসেছে। তৎকালে চুনাপাথরকে উত্তপ্ত করলে এটি পাওয়া যেত।

Content added By
Content updated By

জিঙ্ক বা দস্তা (Zn)

2.2k

দস্তা বা জিংক হলো একটি মৌলিক পদার্থ, যার প্রতীক Zn এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩০। এর পারমাণবিক ভর ৬৫.৩৮ (সাধারণ কাজে ৬৫ ব্যবহার করা হয়)। এটি পর্যায় সারণীর চতুর্থ পর্যায়ে, দ্বাদশ গ্রুপে অবস্থিত। এটি একটি ডি-ব্লক মৌল হলেও এর d-অরবিটাল পূর্ণ থাকায় এটি সাধারণত অবস্থান্তর ধাতু হিসেবে বিবেচিত হয়না। গ্যালভানাইজিং করতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক ব্যবহৃত হয়।

জিংক বর্ণালী

পিতল, বিভিন্ন অনুপাতে তামা এবং দস্তার মিশ্রণ, খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দের আগে এজিয়ান, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাল্মেকিয়া, তুর্কমেনিস্তান ও জর্জিয়ায় এবং দ্বিতীয় সহস্রাব্দে পশ্চিম ভারত, উজবেকিস্তান, ইরান, সিরিয়া, ইরাক এবং প্যালেস্তাইনে ব্যবহৃত হয়েছে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

শিশুর পুষ্টি ব্যবস্থা
শিশুর শিক্ষার ব্যবস্থা
শিশুর প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা
খেলাধুলার ব্যবস্থা
তামা ও টিন
তামা ও নিকেল
তামা ও সীসা
তামা ও দস্তা
তামা ও লোহার সংকর
তামা ও নিকেলের সংকর
টিন ও দস্তার সংকর
তামা ও দস্তার সংকর
তামা ও টিন
তামা ও নিকেল
তামা ও সিসা
তামা ও দস্তা

লোহা বা আয়রন (Fe)

1.8k

লোহা বা লৌহ একটি ধাতব মৌলিক পদার্থ। এর রাসায়নিক চিহ্ন Fe, পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, পারমাণবিক ভর ৫৫.৮৫, যোজ্যতা ২ ও ৩। লোহার ঘনত্ব ৭.৮৫ গ্রাম/সিসি অর্থাৎ জলের থেকে ৭.৮৫ গুণ ভারি। এর গলনাঙ্ক ১৫৩৮° সেলসিয়াস এবং স্ফুটনাঙ্ক ২৮৬২° সেলসিয়াস। লোহাকে প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না। আকরিক থেকে লোহা নিষ্কাশন করা হয়। লোহার প্রধান আকরিকগুলি হলো, হেমাটাইট (Hematite, Fe2O3), ম্যাগনেটাইট (Magnetite, Fe3O4), আয়রন পাইরাইটিস (Iron Pyrites, FeS2) ও সিডারাইট (Siderite,FeCO3), লিমোনাইট (Fe2O3.3H2O)। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে প্রচুর লোহার আকরিক পাওয়া যায়। ভূ-ত্বকে লোহার পরিমাণ শতকরা ৪.১২ ভাগ।

A rough wedge of silvery metal
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

3 মাইক্রো-সেকেন্ড
5 মাইক্রো-সেকেন্ড
18 মাইক্রো-সেকেন্ড
30 মাইক্রো-সেকেন্ড

পারদ (Mercury)

3.6k

পারদ (Mercury)

সর্বাপেক্ষা নিম্ন গলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতু পারদ। এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। তরল পদার্থগুলোর মধ্যে পারদ সর্বাপেক্ষা ভারী। পারদের প্রতীক Hg । থার্মোমিটারে পারদ রহুলভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ অল্প তাপে পারদের আয়তন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। ফলে তাপমাত্রার সহজে সূক্ষ্মভাবে মাপা যায়।

জেনে রাখা ভাল

১. সোডিয়াম পোড়ালে উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের শিখা উৎপন্ন হয়।

২. বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টে টাংস্টেন ব্যবহৃত হয়।

৩. বিশুদ্ধ সোনা ২৪ ক্যারেট।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অপরিবাহী
সুপরিবাহী
পরিবাহী
কুপরিবাহী
গলানাঙ্ক কম
স্ফুটনাঙ্ক বেশি
একমাত্র তরল ধাতু
অল্প তাপে আয়তন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়

সংকর ধাতু

5.4k

দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে, সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু (Alloy) বলে। যেমন: কাঁসা হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।

সংকর ধাতু

মিশ্রণ

ঢালাই লোহা বা কাস্ট আয়রনলোহার সাথে ২-৪.৫৬% কার্বন থাকে। একে পিগ আয়রনও বলে।
ইস্পাত (Steel)লোহার সাথে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন থাকে। এতে কার্বনের শতকরা পরিমাণ ০.১৫ - ১.৫%।
স্টেইনলেস স্টিল Stainless Stellলোহা (Fe)- ৭৩% + ক্রোমিয়াম (Cr) ১৮% + নিকেল (Ni)- ৮% + কার্বন (C)- ১%
ব্রোঞ্জ (Bronze)৯০% তামা + ১০% টিন
পিতল (Brass)তামা ৮০% + দস্তা (জিঙ্ক) - ২০%
গান মেটালতামা ৮৮% + ১০% টিন+ দস্তা (জিঙ্ক) - ২%
ডুরালামিনঅ্যালুমিনিয়ামের সাথে মেশানো হয় কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ।
নাইক্রোমনিকেল-৬০% + আয়রন-২৫% + ক্রোমিয়াম-১৫%
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে নাইক্রোম তার ব্যবহার করা হয়।
টাইপ মেটালসীসা ৭৫% + অ্যান্টিমনি ২০% + টিন ৫%
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

টিন ও লোহা
টিন ও সীসা
সোনা ও রূপা
সোনা ও ব্রোঞ্জ
তামা ও টিনের সংকর
তামা ও দস্তার সংকর
নিকেল ও টিনের সংকর
টিন ও সীসার সংকর
লোহাকে টেম্পার করা হয়েছে
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
সকল বিজাতীয় পদার্থ বের করে দেয়া হয়েছে
বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...